মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য গত ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় একই ইউপির এক নারী সদস্যকে দাপ্তরিক কাজের কথা বলে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান। কাজ না থাকা সত্ত্বেও তাঁকে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করান। এভাবে অফিসের সবাই চলে যাওয়ার পর একপর্যায়ে ওই নারী সদস্যের মুঠোফোন কেড়ে নেন এবং তাঁকে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর একটি গাড়িতে তুলে বাড়ি পাঠিয়ে দেন ওই নারী সদস্যকে। এ ঘটনা জানতে পেরে ওই নারী সদস্যের স্বামী তাঁকে বাড়িতে ঠাঁই দেননি। বর্তমানে বাবার বাড়িতে আছেন তিনি। এরপর গতকাল রাতে বাদী হয়ে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় তিনি ধর্ষণের মামলা করেন।

ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা অভিযুক্ত ওই ইউপি সদস্য গতকাল রাতে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছে।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ডালিম আহমেদ বলেন, নারী ইউপি সদস্যের অভিযোগে এ মামলা হয়েছে। তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, তবে এখনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। সেটি পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।