এর আগে একই ঘটনায় ৩ জুলাই জেলা যুবদলের সভাপতি মির্জা আবদুল জব্বার ও সাধারণ সম্পাদক মুরাদুজ্জামান মুরাদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে মাহমুদুল হাসানকে শাহজাদপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জানতে চাইলে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বলেন, মাহমুদুল হাসান এর আগেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। যে কারণে তাঁকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছিল। সর্বশেষ দলীয় গঠনতন্ত্র মেনে কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে দলীয় সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন মাহমুদুল হাসান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে এখনো চিঠি হাতে পাইনি। দল থেকে বহিষ্কার করার আগে কিছু আইনগত প্রক্রিয়া আছে। যেগুলো না মেনে জেলা কমিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব ইকবাল হোসেন ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, চার মাস আগে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব খন্দকার মাসুদ রানার সঙ্গে মাহমুদুল হাসানের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। এরপরও ২ জুলাই দুপুরে মাহমুদুল হাসান ও তাঁর লোকজন মনিরামপুর বাজারের সিরাজ ম্যানসনের সামনে খন্দকার মাসুদ রানাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকায় জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি আছেন।

এ ঘটনায় ৫ জুলাই আহত মাসুদ রানার মা রিনা খাতুন বাদী হয়ে মাহমুদুল হাসানসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে শাহজাদপুর থানায় মামলা করেন। জানতে চাইলে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিদ মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, আসামিরা পালিয়ে থাকায় তাঁদের গ্রেপ্তারে দেরি হচ্ছে। শিগগিরই তাঁদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন