আদালত সূত্র জানায়, মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে আবদুর রহমান বদি হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। গত ১৮ জানুয়ারি বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তা খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বিচারিক আদালতকে বলা হয়েছে।

দুদকের আইনজীবী কাজী ছানোয়ার আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপসহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আদালত আগামী ৭ নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য রেখেছেন। সাক্ষ্য দেওয়ার সময় দুদক কর্মকর্তা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের চিত্র তুলে ধরেন।

দুদক সূত্র জানায়, ৪৩ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৪ টাকার তথ্য গোপন এবং ৬৬ লাখ ৭০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালে বদির বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুদক। পরের বছর তদন্ত শেষে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। পরে বদি উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে এলে মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত থাকে। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে দীর্ঘদিন পর ২০১৭ সালে মামলাটি সচল হয়। ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর বদির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এই মামলার বিচার শুরু হয়। বিচারের এই আদেশের বিরুদ্ধে বদি হাইকোর্টে যান। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন