সিরাজগঞ্জে সাত প্রার্থী একটি ভোটও পাননি

গতকাল সোমবার সকাল নয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত ইভিএমের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়
ছবি: প্রথম আলো

সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচনে সদস্যপদে সাত প্রার্থী শূন্য ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া চার সদস্য প্রার্থী একটি করে ভোট পেয়েছেন। গতকাল সোমবার সকাল নয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে গতকাল সন্ধ্যায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

একটিও ভোট না পাওয়া প্রার্থীরা হলেন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল আজিজ সরকার (টিউবওয়েল); ২ নম্বর ওয়ার্ডের খালেদ মোশারফ (হাতি); ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিজানুর রহমান (হাতি) ও সাহেব আলী (উটপাখি); ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শরিফুল ইসলাম (টিউবওয়েল) ও আবদুল হামিদ আকন্দ (তালা) এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রফিকুল ইসলাম (টিউবওয়েল)।

একটি করে ভোট পাওয়া প্রার্থীরা হলেন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আশিক আহমেদ (তালা); ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কে এম নাছির উদ্দিন (ঘুড়ি); ২ নম্বর ওয়ার্ডের আরাফাত রহমান (অটোরিকশা) ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য মীর জান্নাতুল ফেরদৌস (বই)।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিশ্বাস। সাধারণ সদস্যপদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন দুজন।

নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১ হাজার ১৯১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯১২ জন ও নারী ভোটার ২৭৯ জন। জেলা পরিষদের ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপুরে সর্বোচ্চ ১৭২ জন ভোটার আছেন। এ ছাড়া সিরাজগঞ্জ সদরে ভোটার ১৫৪ জন, কামারখন্দে ১০৬ জন, রায়গঞ্জে ১৩৩ জন, তাড়াশে ১০৭ জন, উল্লাপাড়ায় ১৪৬ জন, শাহজাদপুরে ১৩৩ জন, বেলকুচিতে ১২০ জন ও চৌহালীতে ১২০ জন। জেলার ৯টি ভোটকেন্দ্রের ১৮টি বুথে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারুক আহাম্মদ প্রথম আলোকে বলেন, ভোট শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন।