ফরিদপুর-১ আসনে ১৫ প্রার্থীর কারও মনোনয়নপত্র বৈধ হয়নি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন মোট ১৫ জন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে তাঁদের মধ্যে আটজনের মনোনয়নপত্র স্থগিত ও সাতজনের বাতিল হয়েছে। ফলে কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়নি। আজ রোববার বেলা ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ বাছাইয়ের কাজ পরিচালিত হয়।
স্থগিত হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্থী শাহ মো. আবু জাফর, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইলিয়াস মোল্লা, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির মৃন্ময় কান্তি দাস, জাতীয় পার্টির সুলতান আহমেদ খান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মুহাম্মদ খালেদ বিন নাছের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ শরাফাত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল বাসার খান।
শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে—দুটি মামলার তথ্য হলফনামায় যুক্ত না থাকায়, বিএনপি প্রার্থীর তিনটি মামলার তথ্য জমা না দেওয়ায় এবং আয় বিবরণীতে ভুল থাকায় জামায়াত প্রার্থীর প্রার্থিতা স্থগিত করা হয়। মনোনয়নপত্র স্থগিত হওয়া প্রার্থীরা আজ রোববার বিকেল চারটার মধ্যে তথ্য সংশোধন ও প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিয়ে মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে পারেন।
বাতিল হওয়া সাতজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁদের এক ভাগ ভোটারের তথ্য সঠিক না থাকায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল প্রার্থীরা হলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শামসুদ্দিন মিয়া, মো. হাসিবুর রহমান, আরিফুর রহমান, মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ, লায়লা আরজুমান বানু, মো. গোলাম কবীর মিয়া ও আবদুর রহমান।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, ফরিদপুর-১ আসনে জমা দেওয়া ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র আজ যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বাছাইকালে ছোটখাটো ত্রুটির জন্য আটজন প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে। এই প্রার্থীরা আজ বিকেল চারটার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজ ও সংশোধনী দিয়ে তাঁদের পদ ফিরে পেতে পারেন। পাশাপাশি যাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে, তাঁরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন।