দুর্ঘটনার পর এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে টেবিল-বেঞ্চ-চেয়ার ফেলে মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর থেকে চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া পর্যন্ত অন্তত ১০ কিলোমিটার তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগে পড়ে।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার নৈয়ার গ্রামের বাসিন্দা শাহানাজ আক্তার বলেন, চট্টগ্রামে হাসপাতালে ভর্তি তাঁর নাতিকে দেখতে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু গোমতা ইসহাকিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের কাছে সকাল ১০টার দিকে যানজটে আটকা পড়েন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় আটকে থাকার পর বেলা সোয়া দুইটায় তাঁদের বাস চলতে শুরু করে।

ঢাকাগামী লোকাল বাসের চালক আলী মিয়া বলেন, গরমের মধ্যে একটানা চার ঘণ্টার বেশি সময় যানজটে আটকে থেকে একাধিক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। যাত্রীরা অনেকে ভাড়া না দিয়ে চলে গেছেন।

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রৌশন আলী বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে একটি পদচারী সেতু নির্মাণের চেষ্টা করবেন। সেটি না পারলে নিজ উদ্যোগে হলেও পদচারী সেতু তৈরি করবেন বলে তিনি জানান।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছান কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ ইকবাল ও চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপস শীল। ইউএনও বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, নিহতের পরিবারের সদস্য, আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন তাঁরা। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার পর ট্রাকচালক পালিয়ে গেছেন।