বাউফলে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত রাস্তায় বেড়া দেওয়ায় ৩০ পরিবারের ভোগান্তি

ভুক্তভোগী লোকজন এলাকায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। বুধবার বেলা ১১টার দিকে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠি গ্রামেছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠি গ্রামে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত দুটি বাড়ির পাশের রাস্তায় বেড়া দেওয়ায় অন্তত ৩০টি পরিবার ভোগান্তি পোহাচ্ছে। ওই বেড়া অপসারণের দাবিতে আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে ভুক্তভোগী লোকজন এলাকায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কর্পূরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সালাম মুন্সি ও আবদুল হক ব্যাপারীর বাড়ির পাশের রাস্তা নির্মাণ করে দেওয়া হয়। স্থানীয় বিরোধের জেরে প্রায় এক মাস আগে প্রতিবেশী মো. কবির মোল্লা সেই রাস্তায় বেড়া দিয়ে আটকে দেন। এতে আবদুস সালাম মুন্সি ও আবদুল হক ব্যাপারী বাড়ির লোকজন এবং আশপাশের ৩০টি পরিবার ভোগান্তিতে পড়ে।

ভুক্তভোগী আল আমিন ব্যাপারী বলেন, কবির মোল্লা রাস্তায় বেড়া দেওয়ায় তাঁরা খালের ওপর নির্মিত সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করছেন। ঘৃণিত এই কাজের বিচার চেয়েও বিচার পাচ্ছেন না। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানোর পর তাঁরা সালিস ডাকেন। কিন্তু কবির মোল্লা সেই সালিসে উপস্থিত হননি।

বেড়া দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে কবির মোল্লা বলেন, তাঁর জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। তাঁর জায়গার ওপর করা রাস্তা দিয়ে অন্য কাউকে হাঁটতে দেবেন না। এ কারণে তিনি রাস্তায় বেড়া দিয়ে আটকে দিয়েছেন।

কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. কবির গাজী বলেন, এ ঘটনা নিয়ে উভয় পক্ষকে একাধিকবার ডেকেছেন; কিন্তু কবির মোল্লা আসেননি। দুটি বাড়ির সবার হাঁটাচলার সুবিধার্থে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নের রাস্তা নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এখন রাস্তাটা আটকে দেওয়ায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পরিবারগুলো। তিনি আরও বলেন, রাস্তার জমি তাঁর (কবির মোল্লার) হলেও সরকারিভাবে নির্মিত হাঁটাচলার রাস্তা তিনি বন্ধ করে দিতে পারেন না। এটা অমানবিক ও অন্যায়।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন।