লবণাক্ত পানির ভয়ে ‘তরমুজ পলিব্যাগে’

এবার রমজানের বাজার ধরতে ডিসেম্বরেই তরমুজ বুনতে পলিব্যাগে চারা উৎপাদন করেছেন পটুয়াখালীর কৃষকেরা।

পলিব্যাগে উৎপাদিত ২০-২২ দিনের তরমুজের চারা জমিতে রোপন করছেন কৃষকেরা। গত ৮ ডিসেম্বর পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালি উপজেলার ফেলাবুনিয়া এলাকায়ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন

আমন ধান যখন উঠি উঠি করছে, ঠিক এমন সময় বাড়ির উঠানে, ঘরের কোণে, জমির কোনায় ছোট ছোট পলিব্যাগে মাটি ভরে তাতে একটি করে তরমুজের বীজ বোনা হয়। একদিকে চারা বেড়ে ওঠে, অন্যদিকে ধান ঘরে তোলার পর শুরু হয় তরমুজের জন্য খেত তৈরির কাজ। পরে একবার চাষ দিয়ে জমি রোদে শুকানো হয়।

কয়েক ধাপে চাষের পর জমিতে তরমুজের মাদা (গোলাকার মাটির বিছানা) তৈরি করা হয়। পলিব্যাগে লাগানো চারার বয়স ২০-৩০ দিন হলে সেই চারা মাদায় রোপণ করা হয়। ধাপে ধাপে চলে পরিচর্যা ও নিয়মিত সেচ। ফলে নির্ধারিত মৌসুমের আগেই তরমুজ ঘরে তুলতে পারেন কৃষক।

অনেক কৃষক আগাম তরমুজ চাষের জন্য জমি ফেলেও রাখেন। তাঁদের ভাষ্য, একই জমিতে টানা তরমুজ চাষ করলে ফলন ভালো হয় না। এ জন্য দুই-তিন মৌসুম বিরতি অথবা আমন মৌসুমে জমি পতিত রেখে তারপর আগাম তরমুজ চাষ করা হয়।

গত বছর সাড়ে চার কানি (প্রায় সাড়ে সাত একর) জমিতে তরমুজ লাগিয়েছিলাম। ফলন এত ভালো হয়েছিল যে পাইকার সব তরমুজের দাম বলেছিলেন ১২ লাখ টাকা। এরপর শুধু ফসল তোলার অপেক্ষা; কিন্তু হঠাৎ পাঁচ-ছয় দিনের টানা বৃষ্টিতে খেতে হাঁটুসমান পানি জমে বেশির ভাগ তরমুজ নষ্ট হয়ে যায়। ৭০ হাজার টাকাও বেচতে পারি নাই।
দিলারা পারভীন, প্রধান শিক্ষক

তরমুজ কেন পলিব্যাগে

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা থেকে চম্পাপুর ইউনিয়ন বেশ দূরে। দেশের অন্যান্য উপকূলীয় এলাকার মতো রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরবর্তী এই ইউনিয়নের মানুষের প্রধান পেশা মৎস্য ও কৃষি। চম্পাপুর ইউনিয়ন পরিষদের পাশেই ৭০ নম্বর পাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক দিলারা পারভীন। তাঁর স্বামীর নাম সাজাহান প্যাঁদা। এই পরিবারের সদস্যদের জীবিকার প্রধান উৎস কৃষি। ২০১০ সাল থেকে তরমুজের চাষ করে আসছেন তাঁরা। প্রতিবছরই লাভবান হয়েছেন। তবে তিন-চার বছর ধরে তরমুজ নিয়ে পড়েছেন বিপদে।

দিলারা পারভীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত বছর সাড়ে চার কানি (প্রায় সাড়ে সাত একর) জমিতে তরমুজ লাগিয়েছিলাম। ফলন এত ভালো হয়েছিল যে পাইকার সব তরমুজের দাম বলেছিলেন ১২ লাখ টাকা। এরপর শুধু ফসল তোলার অপেক্ষা; কিন্তু হঠাৎ পাঁচ-ছয় দিনের টানা বৃষ্টিতে খেতে হাঁটুসমান পানি জমে বেশির ভাগ তরমুজ নষ্ট হয়ে যায়। ৭০ হাজার টাকাও বেচতে পারি নাই।’ এবার পলিব্যাগ–পদ্ধতিতে অন্তত পাঁচ একর জমিতে আগাম তরমুজ চাষ করছেন তাঁরা।

রাঙাবালীর চর মোন্তাজের তরমুজচাষি মাসুম বিল্লাহর বক্তব্যও একই রকম। ২০২৩ সালে দুই কানি (প্রায় সোয়া তিন একর) জমিতে তরমুজ চাষ করে পরে অতিবৃষ্টির কবলে পড়ে কাঙ্ক্ষিত দামের অর্ধেকের কমে ফল বিক্রি করতে বাধ্য হন। এবার তাই উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শে পলিব্যাগে চারা উৎপাদন করে আগাম তরমুজ লাগিয়েছেন মাসুম।

খুলনার বটিয়াঘাটার মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, খুলনা ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে তরমুজ চাষ শুরু হয় ২০১০-১১ সালের দিকে। এর আগে এসব এলাকায় আমন ধানের পর মুগডাল, তিলসহ অন্যান্য ফসল চাষ করা হতো; কিন্তু ২০০৭-০৮ সালের দিকে অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে তিল চাষ বিঘ্নিত হচ্ছিল। পরে কৃষক তরমুজ চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েন।

যদি সেচ দেওয়া না হয়, তাহলে লবণাক্ততা ১৫-১৬ ডিএস পর্যন্ত বেড়ে যায়; তখন আর চাষাবাদ সম্ভব হয় না। ফসল উৎপাদনের জন্য লবণাক্ততার সহনীয় মাত্রা ২ ডিএস।

সূত্রটি জানায়, তরমুজ চাষ করতে গিয়ে কৃষকেরা অনিয়মিত বৃষ্টিপাতসহ বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হন। লবণাক্ততা তার মধ্যে অন্যতম। এসব উপকূলীয় এলাকায় সাধারণত জানুয়ারি মাস থেকে মাটির লবণাক্ততা বাড়তে থাকে। এ সময় ৩-৪ ডিএস মাত্রার লবণাক্ততা দেখা যায়। যত দিন যায়, লবণাক্ততা তত বাড়তে থাকে। তবে ফসলি জমিতে যখন মিঠাপানির মাধ্যমে সেচ দেওয়া হয়, তখন তা ৯-১০ ডিএস পর্যন্ত থাকে। এতে ফসল উৎপাদনে তেমন সমস্যা হয় না। আর যদি সেচ দেওয়া না হয়, তাহলে লবণাক্ততা ১৫-১৬ ডিএস পর্যন্ত বেড়ে যায়; তখন আর চাষাবাদ সম্ভব হয় না। ফসল উৎপাদনের জন্য লবণাক্ততার সহনীয় মাত্রা ২ ডিএস।

পাশাপাশি দেখা যায়, আমন ধান কাটার পরও জমি ভেজা থাকে। ভেজা জমি শুকাতে শুকাতে মার্চ মাস চলে আসে, যদিও আমন ধান কাটা হয় জানুয়ারিতেই। তবে জমি না শুকানোর কারণে এই পাঁচ জেলায় তরমুজের বীজ বপন করতে হয় মার্চে। তত দিনে পার্বত্য এলাকার তরমুজ খাওয়ার উপযোগী হয়ে ওঠে। ফলে এসব এলাকার তরমুজচাষিরা আর্থিকভাবে কম লাভবান হন।

লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা খুলনা অঞ্চলের মাটি পরীক্ষা করে দেখেছি, ২০০০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এ এলাকার মাটিতে লবণাক্ততার পরিমাণ বেড়েছে। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত লবণাক্ততা কিছুটা কমে গিয়েছিল। ২০২০ সালের পর যখন অতিরিক্ত গরম পড়া শুরু হলো, পাশাপাশি বৃষ্টিপাতও অনিয়মিত হয়ে গেল, তখন মাটির লবণাক্ততা আবার বাড়তে শুরু করে। তবে গত বছর সেচ না দেওয়া অনাবাদি জমিতে পরিমাপ করে ২০-২২ ডিএস পর্যন্ত লবণাক্ততা পাওয়া যায়।’

আবার মার্চে লাগানো তরমুজ কালবৈশাখীর কবলেও পড়ে। এই ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টির আঘাতের আশঙ্কাও থাকে। এতে তরমুজের ব্যাপক ক্ষতি হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হন কৃষক।

২০১৮ সালের জুলাই মাসে লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। ‘গোপালগঞ্জ, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন’ নামের এ প্রকল্পের আওতায় পলিব্যাগে বীজ বপনের মাধ্যমে তরমুজের চারা উৎপাদনের পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়।

আমরা খুলনা অঞ্চলের মাটি পরীক্ষা করে দেখেছি, ২০০০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এ এলাকার মাটিতে লবণাক্ততার পরিমাণ বেড়েছে। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত লবণাক্ততা কিছুটা কমে গিয়েছিল। ২০২০ সালের পর যখন অতিরিক্ত গরম পড়া শুরু হলো, পাশাপাশি বৃষ্টিপাতও অনিয়মিত হয়ে গেল, তখন মাটির লবণাক্ততা আবার বাড়তে শুরু করে। তবে গত বছর সেচ না দেওয়া অনাবাদি জমিতে পরিমাপ করে ২০-২২ ডিএস পর্যন্ত লবণাক্ততা পাওয়া যায়।
লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস

এই উদ্ভাবনী প্রক্রিয়ায় প্রকল্পটির গবেষণা অংশের নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শচীন্দ্র নাথ বিশ্বাস (এখন অবসরে) এবং বর্তমান প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

২০২২ সালে পলিব্যাগ–পদ্ধতিকে তরমুজ চাষের আরেকটি নতুন পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে বুকলেট প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানান অমরেন্দ্র নাথ। তাঁর দাবি, পলিব্যাগের মাধ্যমে তরমুজের চারা উৎপাদনের এই পদ্ধতি তাঁরাই প্রথম উদ্ভাবন করেছেন।

পটুয়াখালীর কৃষকেরাও প্রথম আলোকে বলেছেন, চার-পাঁচ বছর ধরে তাঁরাও পলিব্যাগ–পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করছেন। এর আগে এ পদ্ধতি তাঁরা দেখেননি। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শেই তাঁরা এ পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন।

তরমুজচাষি ও কৃষি–গবেষকেরা পলিব্যাগ–পদ্ধতির আরও কয়েকটি উপকারিতার কথা জানিয়েছেন। যেমন পলিব্যাগে চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রে সূর্যের তাপ থেকে রক্ষা পায় কচি তরমুজের চারা; অতিরিক্ত শীত থেকে চারা বাঁচানোর জন্য দেওয়া যায় পলিথিনের ছাউনি। আবার প্রচলিত পদ্ধতিতে যেখানে মাটিতে একসঙ্গে দুটি করে বীজ বুনতে হয়; সেখানে পলিব্যাগে একটি বীজ দিলেই যথেষ্ট।

সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিস বলছে, দেশে আগাম তরমুজের বীজ বোনা হয় জানুয়ারি মাসে। কিন্তু এবার ডিসেম্বরেই শুরু হয়ে গেছে। এর মূল উদ্দেশ্য রমজানের বাজার ধরা।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, তরমুজের চারার বয়স ২০ দিন হওয়ার আগ পর্যন্ত গজিয়ে ওঠা কচি পাতা খেয়ে ফেলে লাল পোকা। পলিব্যাগে চারা উৎপাদন করলে পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচা যায়।

পলিব্যাগে আগাম তরমুজ চাষের পরিসংখ্যান পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কাছে নেই। তবে চলতি মৌসুমে মোট ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষের সম্ভাবনার কথা জানান নজরুল ইসলাম। এর মধ্যে ১০-১২ হাজার হেক্টরে পলিব্যাগ–পদ্ধতিতে আগাম চাষ হবে। গত বছর মোট ২৩ হাজার ৭৫০ হেক্টর আর ২০২৩ সালে ২৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়।

লাভ ৪০০-৫০০ শতাংশ

গত ডিসেম্বরের শুরুতে কলাপাড়ার লালুয়ার মেরাওপাড়ায় তরমুজের খেত প্রস্তুত করছিলেন ফোরকান মাঝি। অবশ্য তাঁর বাড়ি এ এলাকায় নয়; তিনি পটুয়াখালী সদরের জৈনকাঠি এলাকার মানুষ। মেরাওপাড়ায় পাঁচ একর জমি বর্গা নিয়ে পলিব্যাগ–পদ্ধতিতে তরমুজ চাষের ব্যবস্থা করেছেন তিনি। ১৫ বছর ধরে নিজের এলাকায় তাঁর তরমুজের চাষাবাদ। তাঁর এলাকার জমি থেকে এখনো ধান তোলা হয়নি, তাই দূরে জমি বর্গা নিয়ে তিনি চাষ করছেন।

তরমুজ চাষে ব্যয়ের ব্যাপারে একটি ধারণা দিয়েছেন ফোরকান মাঝি। তাঁর হিসাবে পাঁচ একর জমিতে পলিব্যাগ থেকে চারা উৎপাদনে ১৬ হাজার আঁটি চারার প্রয়োজন হয়। প্রতি একরে বীজের জন্য খরচ হবে ৩০ হাজার টাকার মতো। জমি চাষে ট্রাক্টরের খরচ ২৫ হাজার টাকা। নদী ও খাল–বিল থেকে পানি সেচের ব্যয় একরপ্রতি ৭৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকা। সব মিলিয়ে একরে ব্যয় এক থেকে দেড় লাখ টাকা। আর সবকিছু ঠিক থাকলে প্রতি একরে তিনি পাঁচ-ছয় লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করবেন। অবশ্য সবই আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর হিসাবে পলিব্যাগ–পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে খরচের তুলনায় লাভের হার ৪০০ থেকে ৫০০ শতাংশ বেশি।

এবার রমজানেই তরমুজ

কোথাও সোনালি ধান চিকচিক করছে, কোথাও চলছে ধান ঘরে তোলার তোড়জোড়। পাশাপাশি প্রস্তুত হয়ে উঠছে তরমুজের খেত। কোনো কোনো খেতের কোনায় উঁকি দিচ্ছে পলিব্যাগে তরমুজের ছোট চারা। কেউ ইতিমধ্যে পলিব্যাগ থেকে চারা জমিতে রোপণ করে ফেলেছেন। গত ৩ থেকে ৯ ডিসেম্বর পটুয়াখালীর কয়েকটি এলাকা ঘুরে পলিব্যাগে আগাম তরমুজ চাষের এমন চিত্র দেখা গেছে।

প্রচলিত স্বাভাবিক পদ্ধতিতে তরমুজ চাষের উপযোগী সময় ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত। বীজ বোনার জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম পক্ষ সর্বোত্তম। আড়াই থেকে তিন মাসের মধ্যে তরমুজ খাওয়ার উপযোগী হয়।

সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিস বলছে, দেশে আগাম তরমুজের বীজ বোনা হয় জানুয়ারি মাসে। কিন্তু এবার ডিসেম্বরেই শুরু হয়ে গেছে। এর মূল উদ্দেশ্য রমজানের বাজার ধরা। কৃষকেরা জানান, স্বাভাবিকভাবে তরমুজ বাজারে আসে মার্চের শেষ থেকে মে মাস পর্যন্ত। এ বছর মার্চের প্রথম থেকেই রোজা শুরু। স্বাভাবিক পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করলে রমজানের বাজার ধরা সম্ভব নয়। ডিসেম্বরে চারা বুনলে রমজানের শুরু থেকেই বাজারে তরমুজ সরবরাহ করা সম্ভব। তাই ডিসেম্বরেই তরমুজ বুনতে পলিব্যাগে চারা উৎপাদন করেছেন পটুয়াখালীর কৃষক।