মৃত্যুদণ্ড পাওয়া চার আসামি হলেন সদর উপজেলার বেদগ্রামের ওসমান শেখের ছেলে বাটুল ওরফে রবিউল (৪৬), সালাম শেখের ছেলে সুজন শেখ (৪১), হারুন মৃধার ছেলে মো. রফিক মৃধা (৩৯) এবং রঘুনাথপুর ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার কাদের শিকদারের ছেলে জাকির শিকদার (৪৬)। রায় ঘোষণার সময় আদালতে রবিউল ও সুজন শেখ উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১০ জুলাই গোপালগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) বিশেষ অভিযানে সদর উপজেলার গোলাবাড়িয়া এলাকা থেকে ৩০ বোতল ফেনসিডিলসহ সোনা বেগম ও মো. জিরুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গোলাবাড়িয়া এলাকা থেকে ৪৯৭ বোতল ফেনসিডিলসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় জেলা ডিবির উপপরিদর্শক মো.শাহাদত হোসেন বাদী হয়ে ১৭ জুলাই গোপালগঞ্জ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। ওই বছরের ৬ আগস্ট জেলা ডিবির পরিদর্শক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট শহিদুজ্জামান খান এবং আসামিপক্ষে এম এ আলম সেলিম, মো. রবিউল আলম ও মো. এনামুল হক মামলাটি পরিচালনা করেন।