পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, নায়েব আলী চাকরি করেন একটি পোশাক কারখানায়। তাঁর অফিস সাভারের আশুলিয়ায়। এই দম্পতির মেয়ে চন্দ্রমল্লিকা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে নেত্রকোনার একটি হাসপাতালে কাজ করেন। গতকাল নায়েব অফিসে যান। নার্গিস বাড়িতে ছিলেন। দুপুর থেকে নার্গিসকে ফোন দিয়ে পাওয়া যাচ্ছিল না। খোঁজ নিতে বাড়িওয়ালাকে ফোন দিলে তাঁর ছেলে গিয়ে নার্গিসের লাশ দেখতে পান।

নায়েব আলী বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) কল দিয়ে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে। তিনি বলেন, ‘আমি বাসায় এসে দেখি, স্ত্রীর লাশ মেঝেতে পড়ে আছে। পাশে ঘরের জিনিসপত্র সব এলোমেলো। আসবাব ভাঙা। কয়েক ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ প্রায় এক লাখ টাকা নেই। এটা একটি পরিকল্পিত হত্যা। আমি এর বিচার চাই।’

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার মো. ইলতুৎ মিশ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি। নিহত নারীর গলা ও হাতে ছুরির আঘাতের চিহ্ন আছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটা একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ধরার চেষ্টা করছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন