বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের মোড় হয়ে বের হতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা–পুলিশ এসে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বলে জানান মনিরুল ইসলাম। তবে মিছিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে সেখানে পুলিশ গিয়েছিল। তাঁদের কোনো বাধা দেওয়া হয়নি।

তারেক রহমানকে নিয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মনিরুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন কটূক্তিপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছেন। তারেক রহমানকে নিয়ে মান্নাফী যদি তাঁর ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য প্রত্যাহার না করেন এবং দেশবাসী ও তারেক রহমানের কাছে ক্ষমা না চান, তাহলে রাজপথে এর জবাব দেবে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল।

বিক্ষোভ মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন, মহানগর যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মিজানুর রহমান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নূরে এলাহী, মঞ্জুরুল আলম, শেখ মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান, আবুল হোসেন, সহসাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, জাকির হোসেন, বন্দর থানা যুবদলের সাবেক সদস্যসচিব শাহাদুল্লাহ মুকুল, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি রাফি উদ্দিন, মহানগর যুবদলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ খান, কায়সার আহমেদ, আরমান হোসেন, সাবেক বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মো. ইব্রাহিমসহ যুবদলের নেতা–কর্মীরা।

জানা যায়, গত রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সভায় আওয়ামী লীগ নেতা মান্নাফী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করেন। তাঁকে কোনো দিন দেশে আসতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে মান্নাফী বলেন, তারেক রহমান যদি দেশে আসেন, আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা তাঁর জিব কর্তন করবে। এর প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিলে নামে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন