ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নওগাঁ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের সহযোগিতায় আজ সকালে উপজেলার মোগলিশপুর গ্রামের জিল্লুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিদপ্তর। এ সময় তাঁর বাড়িতে ভেজাল গুড় তৈরির কারখানা পাওয়া যায়। তিনি আখের নিম্নমানের গুড়ের সঙ্গে বিভিন্ন উপকরণ মিশিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল গুড় তৈরি করে বাজারজাত করার কথা স্বীকার করেন। তাঁর বাড়ি থেকে ৪৮০ কেজি (১২ মণ) ভেজাল গুড় জব্দ করা হয়। এ ছাড়া গুড়ে মেশানোর জন্য রাখা বিপুল পরিমাণ চিনি, চিটাগুড় (গরুর খাদ্য), সুজি, ময়দাসহ নানা উপকরণ জব্দ করা হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন ক্ষতিকর উপকরণ দিয়ে ভেজাল গুড় তৈরির অভিযোগে কারখানামালিক জিল্লুর রহমানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন নওগাঁ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শামীম হোসেন।

সহকারী পরিচালক শামীম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, কারখানাটিতে দীর্ঘদিন ধরে চিনি, ময়দা, চিটাগুড়, সুজি, ফিটকিরি, ডালডা ও বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে ভেজাল গুড় তৈরি করা হচ্ছিল। স্থানীয় বাজার ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে ওই গুড় বাজারজাত করে আসছিলেন কারখানার মালিক। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এ ধরনের ভেজালবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ ছাড়া র‍্যাবের সহযোগিতায় নওগাঁ শহরের গোস্তহাটি ও ঘোষপাড়া এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ঢাকনাবিহীন পাত্রে মিষ্টি সংরক্ষণ, মিষ্টিতে পোকামাকড়ের উপস্থিতি ও খোলা লবণ ব্যবহারের অপরাধে নওগাঁ মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিককে ৫০ হাজার, সাব্বির হোটেলের মালিককে ২০ হাজার ও নিপেন ঘোষ দইঘরের মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন