ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ময়মনসিংহ অঞ্চলে দিনের বেলায় ৯০০ থেকে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকে। এ চাহিদার বিপরীতে দিনের বেলায় উৎপাদিত হয় ৬০০ থেকে ৭০০ মেগাওয়াট। রাতে এ চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। রাতে উৎপাদিত হয় সর্বোচ্চ ৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। যে কারণে ঘোষণার চেয়ে বেশি লোডশেডিং করতেই হচ্ছে। তবে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যুতের এমন পরিস্থিতি কেটে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ গ্রিড থেকে ময়মনসিংহ বিভাগের ছয় জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। ছয় জেলার মধ্যে আছে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জ। গতকাল শুরু হওয়া রুটিন লোডশেডিংয়ের প্রথম দিনে ময়মনসিংহ নগরে ঘোষিত রুটিন মেনেই লোডশেডিং হয়েছে। ময়মনসিংহে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ অঞ্চল-২–এর অধীন এলাকাগুলোকে ১৭টি ভাগে ভাগ করে লোডশেডিং করা হয়েছে।

অঞ্চল-২–এর নির্বাহী প্রকৌশলী ইন্দ্রজিৎ দেবনাথ প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম দিনে রুটিন মেনে লোডশেডিং হলেও সব সময় এটি মানা সম্ভব নাও হতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং কিছুটা বাড়তে পারে। তবে খুব বেশি বাড়ার আশঙ্কা নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শেরপুর ও জামালপুর জেলা শহরে গতকাল রুটিন অনুযায়ী লোডশেডিং হলেও নেত্রকোনা শহরের বিভিন্ন এলাকায় দুই-তিন ঘণ্টা থেকে চার ঘণ্টাও লোডশেডিং হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতের অধীন ময়মনসিংহ বিভাগের গ্রামগুলোতে রাতের বেশির ভাগ সময়ই ছিল লোডশেডিং। নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় গতকাল রাতে অন্তত পাঁচবার লোডশেডিং হয়। এ ছাড়া ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ, গৌরীপুর, তারাকান্দা ও ধোবাউড়া উপজেলায় রাতের বেশির ভাগ সময়ই লোডশেডিং ছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন