উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন আজ রাত পৌনে নয়টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘তাঁকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাঁর অ্যাজমার রোগ ছিল। পুলিশ আমাকে জানিয়েছে, আসামির সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর তাঁর মৃত্যু হয়।’

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযানে গিয়ে শ্বাসকষ্টে কনস্টেবল তৌফিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পলাশ থানা চত্বরে তাঁর প্রথম জানাজা হয়। এরপর জেলা পুলিশ লাইনসে পৌনে দুইটার দিকে দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে তৌফিকুল ইসলামের লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।