এ ঘটনায় থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় স্থানীয় কোরালিয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে সঞ্জয় দাসের ভাই সজীব চন্দ্র দাস, রূপেশ চন্দ্র দাস ও সমীর চন্দ্র দাসের সঙ্গে এলাকার কতিপয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী মন্দির ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কথা বলছিল। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় সন্ত্রাসীরা। ওই ঘটনার জেরে রাত ১০টার দিকে সঞ্জয় দাসের বাড়িতে হামলা চালায় ৫০-৬০ জনের একদল দুর্বৃত্ত।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা বাড়িতে এসে সঞ্জয় দাসকে বাড়িতে খুঁজতে থাকে। তাঁকে না পেয়ে ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। এতে বাধা দিতে গেলে সঞ্জয়ের বাবা দয়াল হরি দাস ও মা বিপুল রানী দাসকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। বর্তমানে তাঁরা হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

হামলার ঘটনায় আজ বুধবার দুপুরে সঞ্জয় চন্দ্র দাস বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।

উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণ চন্দ্র দাস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, গত বছর পূজামণ্ডপ-মন্দিরে হামলার পর আগামী ১ অক্টোবর থেকে সনাতন সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শুরু হচ্ছে। এ সময়ে মন্দিরের সভাপতির বাড়িতে হামলার ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তিনিসহ পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত একজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন