পুলিশ, এলাকাবাসী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে আদমদীঘি আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করে যুবলীগ। মিছিলটি পুরাতন সোনালী ব্যাংক এলাকায় পৌঁছানোমাত্র পরপর চারটি ককটেল নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এতে ছাত্রলীগের পাঁচ কর্মী আহত হন। তাঁদের আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের কর্মীরা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে হামলা চালিয়ে টেলিভিশনসহ আসবাব ভাঙচুর করেন। ঘটনার পর উপজেলা সদরে পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এ ছাড়া ঘটনার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে যুবলীগের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মহিত তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাগুলো সম্পূর্ণ সাজানো। এর কোনো সত্যতা নেই। বিএনপির নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও আন্দোলন থেকে সরাতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ মামলার ষড়যন্ত্র করছে।

আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ।