সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশ ও জয়পুরহাট রেলস্টেশন সূত্রে জানা গেছে, রাহুল হোসেন খুলনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে চিলাহাটীগামী আন্তনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠে জয়পুরহাটে আসছিলেন। ট্রেনটি আজ ভোর চারটায় জয়পুরহাট রেলস্টেশনে পৌঁছায়। তবে রাহুল ঘুমের ঘোরে টের পাননি। যখন ট্রেনটি ছেড়ে দেয় তখন রাহুল টের পেয়ে তাড়াহুড়া করে নামার নামার সময় ট্রেনের নিচে পড়ে যায়। ট্রেন প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করার পর তাঁর ট্রেনে কাটা লাশ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন।

লাশের সঙ্গে একটি কাপড়ের ব্যাগ ও মুঠোফোন পড়ে ছিল। ব্যাগে জাতীয় পরিচয়পত্র ও মুঠোফোন নম্বরের সূত্র ধরে পরিবারে খবর দেওয়া হয়। আজ সকাল সাড়ে নয়টায় পরিবারের সদস্যরা জয়পুরহাট রেলস্টেশনে এসে লাশটি মো. রাহুল হোসেনের বলে শনাক্ত করেন।

রাহুল হোসেনের চাচাতো ভাই রবিউল ইসলাম বলেন, রাহুল মা-বাবার একমাত্র ছেলে। ছুটি নিয়ে রাহুল বাড়িতে আসছিলেন।

সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাস্থল জয়পুরহাট রেলস্টেশনে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।