প্রথম আলো: এখন মশকনিধনের কী কার্যক্রম চলছে?

জাহিদুল ইসলাম: বর্তমানে সিটি করপোরেশন এলাকার পাঁচটি ওয়ার্ডে মশকনিধন কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। এর আগে গত ১৫ দিন ৫টি ওয়ার্ডে মশকনিধন কার্যক্রম চালানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডেই এই অভিযান চালানো হবে। এ কার্যক্রমে সকালে এক দফা স্প্রে দিয়ে মশকনিধন ওষুধ ছিটানো হয়। দুপুরের পর ফগার যন্ত্র দিয়ে উড়ন্ত মশকনিধনের ওষুধ ছিটানো হয়। 

প্রথম আলো: এই কার্যক্রম আরও জোরদারের কোনো পরিকল্পনা আছে?

জাহিদুল ইসলাম: সিটি করপোরেশনের সাধারণ সভায় ওয়ার্ডভিত্তিক মশকনিধন দল গঠনের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দলে পাঁচ থেকে ছয়জন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। দলটির কাজই থাকবে ওয়ার্ডভিত্তিক মশকনিধন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা। দলটি একটি ওয়ার্ডের সব এলাকা সম্পর্কে ধারণা রাখবে এবং এতে কার্যক্রম পরিচালনা করতে সুবিধা হবে।

প্রথম আলো: বর্তমান কর্মসূচিতে কোনো প্রতিবন্ধকতা আছে?

জাহিদুল ইসলাম: ৫টি ওয়ার্ডে মশকনিধন কার্যক্রম চালাতে প্রতিদিন ৪০ জনের মতো জনবল প্রয়োজন। সেখানে এখন জনবল পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ জন। জনবলের অভাবে মশকনিধন কার্যক্রমে কিছু প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছে, তবে কর্মসূ‌চি বন্ধ রাখা হচ্ছে না।

প্রথম আলো: সি‌টি করপোরেশনে নতুন যোগ হওয়া এলাকাগুলোর কী অবস্থা?

জা‌হিদুল ইসলাম: সি‌টি করপোরেশনের নতুন যোগ হওয়া এলাকাগুলোও পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। তবে কিছু এলাকায় জনবস‌তি নেই সেগুলোতে মশকনিধনের আওতায় আনা সম্ভব নয়। য‌দি সেসব এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়, ব‌্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রথম আলো: মশকনিধনের জন্য সিটি করপোরেশনের বাজেট কত থাকে?

জাহিদুল ইসলাম: মশকনিধনের নির্দিষ্ট বাজেট নেই। সিলেট সিটি করপোরেশনে গত অর্থবছর প্রায় এক কোটি টাকা মশকনিধন কার্যক্রমে খরচ হয়েছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন