জহুরুল ইসলাম নামে ক্ষতিগ্রস্ত এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘কয়েক বছর চেষ্টা করে কম্পিউটারে বিভিন্ন সেবা দেওয়ার জন্য দোকানটি দাঁড় করিয়েছিলাম। কিন্তু আগুনে আমার সবকিছু কেড়ে নিয়ে গেল।’

তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা না গেলেও ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা বলে দাবি করেছেন একাধিক ব্যবসায়ী।

রায়গঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. আবদুল্লাহ আল পাঠান বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এসব ব্যবসায়ীরা জন্য সরকারি সহায়তা দাবি করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তৃপ্তি কণা মণ্ডল আজ সোমবার সকাল নয়টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি জেনেছি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।