যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার টেপুরগাড়ি গ্রামের মো. ফজলে রাব্বি, একই উপজেলার সাহেব ডাঙা (পূর্ব পাড়া) গ্রামের মো. সাহিন এবং লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের দক্ষিণ মুসরত মদাতি গ্রামের মো. হাসান মাসুদ।

১৪ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন পাটগ্রামের সাহেব ডাঙা গ্রামের শাহ আলম, একই উপজেলার টেপুরগাড়ি গ্রামের সোহেল রানা ও কুড়িবিশ্বা মাটিয়ালপাড়ার গোলাম রব্বানী।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২ আগস্ট রাতে জেএমবি সদস্যরা পাটগ্রামের এমএম প্লাজা মার্কেটের ডায়না ফ্যাশন টেইলার্সের ভেতরে গোপন বৈঠক করছিলেন। এ সময় সেখানে রংপুর র‌্যাব-১৩ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ৬ জন আটক হন। এ সময় দেহ তল্লাশি করে ফজলে রাব্বির কাছ থেকে গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, মো. সাহিনের কাছ থেকে গুলিসহ আরেকটি পিস্তল এবং মো. হাসান মাসুদের কাছ থেকে গুলিসহ দেশি ওয়ান শুটারগান জব্দ করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়। এ ছাড়া এই তিনজনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের কয়েকটি ধারায় আরেকটি মামলা হয়।