উত্তরার হাউস বিল্ডিং ট্রাফিক পুলিশ বক্সের পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, মিলগেটের পর গাড়িগুলো ঠিকমতো সামনে এগোতে পারছে না। এ কারণে প্রায় মহাখালী পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে যানবাহন। অনেক সময় যানজট বেঁধে যাচ্ছে। এ সমস্যার জন্য বিআরটি প্রকল্পের গাফিলতিকে দায়ী করে তিনি বলেন, ‘এ সমস্যার সম্পূর্ণ দায় বিআরটি প্রকল্প কর্তৃপক্ষের। আমরা এত করে বলছি, মানুষ এত ভোগান্তি পোহাচ্ছে, তারপরও তারা সেভাবে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।’

এ বিষয়ে বিআরটি প্রকল্পের পরিচালক মহিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বিভিন্ন সময় ভাঙা অংশগুলো মেরামত করা হলেও বৃষ্টির কারণে তা টেকে না। এ কারণে স্থায়ীভাবেই তা মেরামতের চেষ্টা চলছে। নভেম্বরের দিকে কাজ শেষ হলে আর ভোগান্তি থাকবে না।

গত ১৫ আগস্ট উত্তরায় গাড়ির ওপর গার্ডার পড়ে পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনার পর থেকে বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণকাজ বন্ধ আছে। তবে আজ সকাল নয়টায় সরেজমিনে সড়কটির গাজীপুরের বিভিন্ন অংশে ইট, বালু, সিমেন্টসহ অন্য নির্মাণসামগ্রী অগোছালোভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে কোথাও কোথাও সড়ক সংকুচিত হয়ে পড়েছে। কোথাও তৈরি হয়েছে খানাখন্দ। এসব খানাখন্দে জমে আছে পানি। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা টঙ্গীর মিলগেট এলাকায়। সেখানে গাড়ি চলছে এক লেনে। এর ওপর ওই লেনেও প্রচুর গর্ত, খানাখন্দ। এর ফলে কোনো গাড়িই স্বাভাবিক গতিতে জায়গাটুকু পার হতে পারে না। এ কারণে উভয়মুখী সড়কেই থেমে থেমে চলছে যানবাহন। কখনো কখনো বেঁধে যাচ্ছে জট।