বিপিসির তেল সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা, ডিপো থেকে উত্তোলন শুরু করেছেন সিলেটের পাম্পমালিকেরা

জ্বালানি তেল নিতে ফিলিং স্টেশনের সামনের সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। বুধবার সিলেটের কদমতলি এলাকায়ছবি : প্রথম আলো

বিভাগীয় শহরগুলোর ফিলিং স্টেশনে অকটেন ও পেট্রোল সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। এরপর আজ বুধবার দুপুর থেকে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন শুরু করেছেন সিলেটের ফিলিং স্টেশনের মালিকেরা।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে বিপিসির রেশনিং ও দৈনিক ক্রয়সীমা নির্ধারণের নীতিমালাকে ত্রুটিপূর্ণ দাবি করে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর, এজেন্ট ও পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতারা।

এ ছাড়া সোমবার সন্ধ্যায় সিলেটের একটি পাম্পের কর্মীকে মারধরের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলা দুইটা পর্যন্ত বিভাগের পাম্পগুলো বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করা হয়। সংগঠনের নেতারা বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান। পরে বিপিসি থেকে বিভাগীয় শহরগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহের হার ২৫ শতাংশ থেকে নামিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন আহমেদ বলেন, ডিপো থেকে তেল সরবরাহের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এমন সিদ্ধান্তের পর সিলেটের ফিলিং স্টেশনগুলোর মালিকেরা ডিপো থেকে তেল উত্তোলন শুরু করেছেন। তবে এরপরও দৈনিক কোটা থাকায় বন্ধের দিনগুলো এবং সামনের ঈদের ছুটিতে কিছুটা ভোগান্তিতে পড়ার আশঙ্কা রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন

হুমায়ুন আহমেদ বলেন, ‘বিপিসির এমন সিদ্ধান্তকে আমরা সুধবাদ জানাই। কিন্তু দৈনিক কোটার বিষয়টি তুলে নেওয়া হলে ভোগান্তি আর থাকবে না বলে আশা করি। বর্তমানে ডিপোগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি রয়েছে। এখন আশা করছি, পাম্পগুলোর সংকট সমাধান হবে এবং গ্রাহকেরা পর্যাপ্ত তেল পাবেন।’

এদিকে সকালে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগের নেতারা জ্বালানি তেল বিপণনকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডিপো পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বর্তমান সংকটকালীন সহযোগিতার আহ্বান করেন।