আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রসঙ্গে জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এত দিন যে সহযোগিতা করেছে, এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু গত রাত থেকে বিভিন্ন হোটেলে রেড দিয়ে তারা জানাতে চেয়েছে, কোন জেলা থেকে কতজন এসেছে, কারা এসেছে। আমাদের লোকদের থাকার জন্য রংপুর শহরের উত্তম স্কুল ও রবার্টসনগঞ্জ স্কুল মাঠে ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে গিয়েও তারা (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) হানা দিয়েছে। নানা প্রশ্ন করেছে।’

রংপুরে আগামীকালের সমাবেশ ইতিহাস সৃষ্টি করবে বলে দাবি করে বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করতে চাই। আমরা সবার সহযোগিতা চাই। আমরা চাই, এ দেশে সব রাজনৈতিক দল রাজনীতি করার সুযোগ পাক। কিন্তু আওয়ামী লীগ চাচ্ছে, অন্য কেউ যাতে মাঠে না থাকে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হারুন উর রশিদ, বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সমাবেশের প্রধান সমন্বয়কারী আসাদুল হাবিব ওরফে দুলু, রংপুর বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল খালেক, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব শহিদুল ইসলাম ওরফে বাবুল, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী রওনোকুল ইসলাম ওরফে শ্রাবণ ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ ওরফে জুয়েল, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান প্রমুখ।  

আগামীকাল বেলা দুইটায় কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে বিএনপির রংপুর বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে সমাবেশ মঞ্চ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।