ওই মহল্লার কলেজশিক্ষক সাজেদুর রহমান জানান, সৈয়দ আলীর নাতনিকে সাপে কামড় দেওয়ার পর থেকেই পরিবারটির আতঙ্কে দিন কাটছিল। সাপের উপদ্রব থেকে বাঁচতে ঘরে কার্বলিক অ্যাসিড রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। এরই মধ্যে গতকাল মেঝে খুঁড়ে মাসহ সাপের বাচ্চাগুলো পাওয়া যায়। সাপগুলো হত্যার পর মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর ওই পরিবারসহ আশপাশের মানুষগুলো সাপ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, বন্য প্রাণী ও পরিবেশ আইনে সাপ মারা অপরাধ। কোথাও সাপ দেখা গেলে স্থানীয় পরিবেশকর্মী কিংবা বন বিভাগকে জানালে তারা উদ্ধার করে যথাস্থানে অবমুক্ত করা যেত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন