মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনমাস্টার সজীবুর রহমান বলেন, ‘রাত সাড়ে তিনটার দিকে আমরা আগুন লাগার খবর পাই। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। এ সময় প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করতে পেরেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।’

ব্যবসায়ীরা বলেন, আগুনে বাবলু লস্করের মুদিদোকান, গৌতম মজুমদারের স্টুডিও, বশিষ্ঠ চক্রবর্তীর কাপড়ের দোকান, সাদ্দাম মিয়ার কম্পিউটারের দোকান, বাবুল মোল্লার কসমেটিকসের দোকান এবং গোপী নাথের মুদিদোকান পুড়ে যায়।

বাজারের ব্যবসায়ী হাসান লস্কর বলেন, আগুন লাগার খবর শুনে সবাই আগুন নেভাতে আসেন। এই সময় মুদিদোকানদার বাবলু লস্কর তাঁর মালামাল নিরাপদ স্থানে নেওয়ার চেষ্টা করেন। আগুনের মধ্য থেকে মালামাল নেওয়ার সময় পা পিছলে আগুনের মধ্যে পড়ে যান। পরে উপস্থিত লোকজন তাঁকে আগুন থেকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর শরীরে আগুনে পোড়ার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন