স্থানীয় লোকজন জানান, দূর থেকে দেখতে হাতিটি অসুস্থ মনে হয়েছে। ঠিকমতো হাঁটাচলাও করতে পারছিল না। সম্ভবত খাদ্য–সংকটে পড়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। হাতিটি দেখতে জঙ্গলের পাশে লোকজনের সমাগম ঘটে। রাতে লোকজনের ঘরবাড়িতে হামলা করতে পারে, এ শঙ্কা অনেকের মনে।

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ঈদগড় বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে বন বিভাগের লোকজন রয়েছেন। অসুস্থ মা হাতিটিকে বনে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। রাতে মশাল জ্বালিয়ে হাতিটিকে বনের দিকে তাড়ানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু হাতি সরছে না। হাতির বয়স আনুমানিক ২০ বসর। অসুস্থ হাতির চিকিৎসার জন্য ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি সার্জনকে খবর দেওয়া হয়েছে।

বনকর্মীরা বলেন, হাতিটির একটি শাবকও রয়েছে। শাবকটিও লোকালয়ের আশপাশে ঘুরছে। তবে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত বন্য হাতি কারও ক্ষতি করেনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন