রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর গ্রামের নূর ইসলাম (৪৫) আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি চার আসামি পলাতক। সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিরা হলেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার কোনাগ্রামের মো. মনির শেখ (৩৫), ইকতার মোল্লা (৩৪), ফরিদপুরের বোয়ালমারীর বনচাকী গ্রামের এনায়েত আমিন (৪০) ও গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ব্যাসপুর গ্রামের মো. মিরাজ (৪০)।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার মো. শহীদুল ইসলাম ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধুলঝুড়ি গ্রামের মৃত সবুর শেখের ছেলে। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ২০১২ সালের ২৭ জুলাই বিকেলে তিনি বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। ২৮ জুলাই সকালে আলফাডাঙ্গার কোনাগ্রাম এলাকায় কাঁচা রাস্তাসংলগ্ন একটি পাটখেত থেকে শহীদুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি আর পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় শহীদুলের চাচা মো. আক্কাস শেখ বাদী হয়ে ওই দিনই অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। পরে ২০১৩ সালের ২ মে আলফাডাঙ্গা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সিরাজুল ইসলাম ওই পাঁচ ব্যক্তির নামে আদালতে অভিযোগপত্র জামা দেন। সাক্ষ্যপ্রমাণ ও শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।