সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদ উদ্‌যাপন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। শুক্রবার সকালে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দেওয়ানকান্দি গ্রামেছবি: প্রথম আলো

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হয়েছে। এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে উৎসবে মাতেন এসব এলাকার মুসল্লিরা। তাঁরা শতাধিক বছর ধরে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখেন এবং ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চট্টগ্রাম

দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বাঁশখালী, সাতকানিয়াসহ শতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হয়েছে। মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসরণে চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলার এসব এলাকায় ঈদ উদ্‌যাপিত হয়।

সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে হানাফি মাজহাব অনুযায়ী বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহাসহ চন্দ্র মাস-সম্পর্কিত ধর্মীয় অনুশাসন পালন করে আসছেন। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এ প্রথা অনুসরণ করা হচ্ছে।

আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ, বরুমচড়া গ্রামের ফুলগাজী চৌধুরীবাড়ি এবং মুহুরীবাড়িতে সকাল সাড়ে আটটার সময় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর বাইরে বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর সাহেববাড়িতে একই সময়ে জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তবে মির্জাখীল দরবার শরিফের প্রধান খানকাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে ইমামতি করেন বর্তমান সাজ্জাদানশিন হজরত ইমামুল আরেফীন মাওলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।

ঈদ উদ্‌যাপনের বিষয়ে মির্জাখীল দরবার শরিফের মোহাম্মদ মছউদুর রহমান বলেন, ‘নিকটবর্তী অঞ্চলসমূহে চাঁদ দেখার সময়ের ব্যবধান, ভৌগোলিক অবস্থান (দ্রাঘিমাংশ ও অক্ষাংশ) এবং মক্কা-মদিনাসহ আরব বিশ্বের চাঁদ দেখার নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে আমরা শুক্রবার ঈদ উদ্‌যাপন করছি।’

চন্দনাইশ শাহসূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে মোনাজাত করছেন দরবারের পীর শাহসূফি মাওলানা মোহাম্মদ আলী
ছবি: প্রথম আলো

দরবার সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বহু গ্রামে তাঁদের অনুসারীরা এদিন ঈদ উদ্‌যাপন করবেন। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে সাতকানিয়ার এওচিয়া, গাটিয়াডেঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা, হালুয়াঘোনা; চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি; দোহাজারী, জামিরজুরি; বাঁশখালীর কালীপুর, চাম্বল; আনোয়ারার বরুমছড়া, তৈলারদ্বীপ; লোহাগাড়ার পুঁটিবিলা, কলাউজান, চুনতী; সীতাকুণ্ডের বারিয়াঢালা, সলিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকা। এ ছাড়া ফেনী, রাঙামাটি, কুমিল্লা, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, চাঁদপুর (মতলব), সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, চুয়াডাঙ্গা, ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এবং পার্বত্য জেলা বান্দরবান ও কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলা।

এদিকে চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাঁগিরিয়া শাহ সুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফের অনুসারীরা দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রায় ৬০ গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন করেছেন। সকাল সাড়ে ৯টায় চন্দনাইশ শাহ সুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফ প্রাঙ্গণে ওই এলাকার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন জাহাঁগিরিয়া শাহ সুফি মমতাজিয়া দরবারের পীর সৈয়দ মাওলানা মোহাম্মদ আলী। নামাজ শেষে মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

দরবারের শাহজাদা মাওলানা মো. মতি মিয়া মনছুর প্রথম আলোকে বলেন, যেহেতু গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁদের ৩০ রোজা পূর্ণ হয়েছে এবং সৌদি আরবে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এবং তাঁদের নির্দিষ্ট পঞ্জিকামতে আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হচ্ছে।

দরবার সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ চট্টগ্রামে যেসব জায়গায় তাঁদের অনুসারীরা আছেন যেসব জায়গায় আজ ঈদ উদ্‌যাপিত করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরা

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় ২০ গ্রামের মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন করেছেন। সকাল আটটায় সাতক্ষীর সদর উপজেলার বাউকোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মহব্বত আলী।

ঈদের নামাজে সাতক্ষীরার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্বর, ভাদড়া, ঘোনা, ভাড়খালী, মিরগিডাঙ্গাসহ প্রায় ২৫ গ্রামের মানুষ অংশ নেন। পুরুষ ও মহিলা মিলে সেখানে শতাধিক মানুষ নামাজ আদায় করেছেন।

বাউকোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মহাব্বত আলী বলেন, ‘আমরা রমজান মাসের চাঁদ দেখে রোজা থাকি এবং শাওয়াল মাসের ১ তারিখে চাঁদ দেখে ঈদের নামাজ আদায় করি। আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ ঈদের নামাজ আদায় করেছি।’

মাদারীপুর

মাদারীপুরে ঈদ উদ্‌যাপন করেছেন ২৫ গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ। সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চর কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত হয় ঈদের প্রধান ও প্রথম জামাত। ঈদের নামাজে ইমামতি করেন চরকালিকাপুর ফরাজীবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান। ঈদের জামাত শেষে একে অপরে কোলাকুলি করে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

মাদারীপুরে সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চর কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ঈদের নামাজ
ছবি: প্রথম আলো

জানা যায়, শরীয়তপুরের সুরেশ্বর দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠাতা হজরত জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরীর (রহ.) অনুসারীরা প্রায় দেড় শ বছর আগে থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখেন এবং ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁদ দেখা সাপেক্ষে সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে মাদারীপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ ঈদ উদ্‌যাপন করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সুরেশ্বর দরবার শরিফের মুরিদ সাগর দেওয়ান জানান, পূর্বপুরুষদের প্রথা অনুসারে এই ঈদ উৎসব পালন করা হচ্ছে। বছরে দুটি ঈদ ও রোজা পালন করা হয়। এতে অংশ নেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা।

নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে লামাপাড়া এলাকায় অবস্থিত হজরত শাহ সুফি মমতাজিয়া এতিমখানা ও হেফজখানা মাদ্রাসায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত ওই জামাতে ‘জাহাঁগিরিয়া তরিকার’ অনুসারীরা অংশ নেন। জামাতে ইমামতি করেন মুফতি মাওলানা শাহাবুদ্দিন।

ঈদের নামাজে অংশ নিতে গাজীপুরের টঙ্গী, ঢাকার কেরানীগঞ্জ, পুরান ঢাকা, ডেমরা, সাভারসহ নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা—সিদ্ধিরগঞ্জ, রূপগঞ্জ, বন্দর, আড়াইহাজার ও সোনারগাঁ উপজেলা থেকে মুসল্লিরা সমবেত হন। নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ১২টি গ্রামের সুরেশ্বরী দরবার শরিফের ভক্তরা শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন করছেন। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে উপজেলার দুটি স্থানে পৃথক সময়ে মুসল্লিরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। উপজেলার সদর ইউনিয়নের দশধরী গ্রামে খানকায়ে সুরেশ্বরী দরবার শরিফের কক্ষে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে এবং একই ইউনিয়নের ধর্মপাশা উত্তরপাড়া গ্রামে খানকায়ে সুরেশ্বরী দরবার শরিফের কক্ষে সকাল ১০টার দিকে ঈদুল ফিতরের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

ধর্মপাশা উত্তরপাড়া খানকা শরিফের কক্ষে ঈদের নামাজ পড়ান ওই খানকার খতিব মাওলানা রিফাত নূরী আল মুজাদ্দেদী। অন্যদিকে দশধরী খানকা শরিফের কক্ষে ঈদের নামাজ পড়ান ওই খানকার খতিব মো. পলাশ মিয়া।

পলাশ মিয়া বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ২৯ বছর ধরে উপজেলার দশধরী গ্রামের খানকা শরিফে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ধর্মপাশা উত্তরপাড়া গ্রামে খানকা শরীফের কক্ষে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়
ছবি: প্রথম আলো

রাজশাহী

রাজশাহীর পুঠিয়ায় একটি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল আটটার দিকে উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের ফকিরপাড়া মহল্লার মুসলিম জামে মসজিদে নামাজ আদায় করেন একটি গ্রামের কিছু মুসল্লি। নামাজের ইমামতি করেন হাফেজ মো. সাজিরুল ইসলাম। নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিত ছিল মোট ২৩ জন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মুসল্লিরা এসে কৃষ্ণপুর ফকিরপাড়ার মুসলিম জামে মসজিদের ছাদে যান। সেখানে আগে থেকেই ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছিল। ছাদের মধ্য দিয়ে কালো পর্দা টাঙিয়ে দেওয়া হয়। একই ইমামতিতে সামনে পুরুষ এবং পেছনে নারীরা নামাজ আদায় করেছেন। ঈদের নামাজ আদায় করা ব্যক্তিরা বলেন, তাঁরা প্রতিবছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নামাজ আদায় করেন। এবারও করলেন।

চাঁদপুর

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হয়েছে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে। নিজস্ব ধর্মীয় মত অনুসরণ করে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে তাঁরা এই ঈদ পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতি অনুসরণ করে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন তাঁরা।

হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফে সকাল সাড়ে ৯টায় ওই এলাকার প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবারের পীর মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। এ ছাড়া হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলবসহ কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে একযোগে এই ঈদ উদ্‌যাপিত হচ্ছে। এ ছাড়া চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১৫টি গ্রামের ৪০ হাজার মুসল্লি ঈদ উদ্‌যাপন করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম পীর আল্লামা মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী প্রথম এই পদ্ধতি চালু করেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরসূরিরা এখনো সেই ধারা অব্যাহত রেখেছেন।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে ঈদ উদ্‌যাপন
ছবি: প্রথম আলো

জামালপুর

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে জামালপুরের তিন উপজেলায় ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হয়েছে। তিনটি উপজেলায় সকালে ১৬টি গ্রামের মানুষ ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। সকাল সাড়ে আটটায় সরিষাবাড়ী পৌরসভার বলারদিয়ার মধ্যপাড়া মাস্টারবাড়ি জামে মসজিদ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ জামাতে ইমামতি করেন বলারদিয়ার জামে মসজিদের খতিব আজিম উদ্দিন মাস্টার। এতে অংশ নেন উপজেলার বলারদিয়ার, মূলবাড়ী, সাতপোয়া, সাঞ্চারপাড়, পঞ্চপীর, পাখাডুবি, বনগ্রাম, বালিয়া, বাউসী, হোসনাবাদ, পাটাবুগা, পুঠিয়ারপাড় ও বগারপাড় গ্রামের মানুষ। এ ছাড়া ইসলামপুর উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের রামভদ্রা, সাপধরীর ইউনিয়নের পশ্চিম মণ্ডলপাড়া ও মাদারগঞ্জ উপজেলার কাজিয়ারবাড়ি গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়।

সরিষাবাড়ী উপজেলায় সাতপোয়া এলাকার হাসেন আলী বলেন, ‘আমি এই নিয়মে ৩০ বছর ধরে নামাজ ঈদ করে আসছি। সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে আমরা নামাজ আদায় করি না, বরং চাঁদের ওপর নির্ভর করে নামাজ আদায় করি।’

[প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম, সাতক্ষীরা .... প্রতিনিধি, পটিয়া, মাদারীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ধর্মপাশা, রাজশাহী, জামালপুর, চাঁদপুর, মতলব উত্তর]