ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, একটি সিরাপের লেবেলে ২০ টাকার দাম কেটে দিয়ে ৩৫ টাকা লেখা হয়েছে। হাতে লেখা দামেই ওই সিরাপ বিক্রি করা হচ্ছিল। সাধারণ ভোক্তারা প্রতিটি সিরাপ কিনতে ১৫ টাকা বেশি ব্যয় করছিলেন। এ ছাড়া ফিজিশিয়ান স্যাম্পল, অনিবন্ধিত ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব অভিযোগে ছয়জন ফার্মেসির মালিককে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট এস এম হাবিবুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, সম্প্রতি কিছু ওষুধের দাম বেড়েছে। কিন্তু ফার্মেসিগুলোতে আগের কেনা ওষুধের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় সিরাপের লেবেলে থাকা ২০ টাকা দাম মুছে ৩৫ টাকায় বিক্রি করাসহ নানা কারণে ছয়টি ফার্মেসিকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জেলা ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক (ড্রাগ সুপার) মোকছেদুল আমিন বলেন, জয়পুরহাটে ওষুধের অনিয়ম রোধে প্রশাসনের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত চলমান আছে। জনস্বার্থে নকল ও ভেজাল ওষুধ নিরসনে মাঠপর্যায়ে ফার্মেসি পরিদর্শন জোরদারের পাশাপাশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন