খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমদানি করা এসব পাথর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া বন্দর পর্যন্ত চার লেন সড়ক উন্নীতকরণের কাজে ব্যবহার করা হবে। ‘এফকন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড’ নামের একটি ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১৩ ডলারে প্রতি টন পাথর আমদানি করেছে। আখাউড়া স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ‘মেসার্স খলিফা এন্টারপ্রাইজ’ এসব পাথরের কাস্টমস ক্লিয়ারিংয়ের কাজ করছে। খলিফা এন্টারপ্রাইজ মোট ২ হাজার ৭০০ টন পাথর আমদানির জন্য এলসি (ঋণপত্র) করেছে। পাথরগুলো থেকে আখাউড়া শুল্ক স্টেশন বিভাগ পাথরের মোট দামের প্রায় ৬৯ শতাংশ শুল্ক পাবে। আর আখাউড়া স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ কয়েকটি পর্যায়ে বন্দরে পাথর ও ট্রাক রাখা থেকে শুরু করে ট্রাক থেকে পাথর নামানো ও ট্রাকে ওঠানো বাবদ চার্জ পাবে।

মেসার্স খলিফা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি মোজাম্মেল হক বলেন, প্রথম চালানে ২ হাজার ৭০০ টন পাথর আমদানির জন্য এলসি করা হয়েছে। ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এফকন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড’ এলসি খুলেছে। প্রথম চালানের মধ্যে রোববার সন্ধ্যায় ২১টি ট্রাকে পাথর এসেছে। বাকি ১৪টি ট্রাকে পাথর কাল আসার কথা আছে।

স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া বন্দর দিয়ে এক সময় প্রচুর পাথর রপ্তানি হতো। কয়েক বছর ধরে ত্রিপুরার সঙ্গে অন্য রাজ্যগুলোর সড়ক ও রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে সেখানকার ব্যবসায়ীরা বর্তমানে স্থানীয়ভাবে পাথর সংগ্রহ করেন। ফলে আখাউড়া দিয়ে ভারতে পাথর রপ্তানি কমে গেছে।

তবে ব্যবসায়ীরা জানান, অন্য পণ্য আমদানি করে ভালো মুনাফা না পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আখাউড়া বন্দর দিয়ে বিনা শুল্কে গম আমদানি করেন। তবে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন এলসি খুলতে না পারায় গম আমদানি বন্ধ আছে।

আখাউড়া স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম চালানের মধ্যে ২১ ট্রাক পাথর এসেছে। আজ ৩৫টি ট্রাক আসার কথা ছিল। বাকি ১৪ ট্রাক ও প্রথম চালানের বাকি পাথর কয়েক দিনের মধ্যে চলে আসবে।