ইউএনও হাসান মারুফ বলেন, ‘গাছপালা ও বনজঙ্গল উজাড় হয়ে যাওয়ায় এখন আগের মতো পাখির কিচিরমিচির শব্দ শোনা যায় না। পাখি আমাদের প্রাণবৈচিত্র্যের অংশ। পরিবেশে পাখি বেঁচে থাকা খুবই জরুরি। পাখির প্রতি মানুষের ভালোবাসা থাকাও জরুরি। বন, বন্য প্রাণী ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানের নয়। এ জন্য সাধারণ জনগণকেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

হুমায়ূন আহমেদ স্মৃতি রক্ষা পরিষদের সভাপতি মোতালিব বিন আয়েত বলেন, প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর তাঁরা জন্ম এবং মৃত্যু দিবসে লেখককে স্মরণ করেন। এ বছর তাঁরা লেখকের জন্মদিনে পাখির জন্য নিরাপদ আবাস সৃষ্টি করার কাজ শুরু করেছেন। এ ছাড়া প্রতিবছর হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি রক্ষায় গৌরীপুর রেলস্টেশনে লেখকের নামে একটি স্থাপনা বা আন্তনগর কোনো ট্রেনের নাম লেখকের নামে করার দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে তাঁদের দাবি এখনো পূরণ হয়নি।