প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণাও শুরু করেছেন জালাল উদ্দিন। আজ বুধবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘দল (বিএনপি) নির্বাচন বর্জন করেছে। উপজেলা সভাপতি হিসেবে দলের নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে দল থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে; তাই বহিষ্কারের দুর্নাম না লাগার জন্য আগেভাগেই শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে জেলা বিএনপির কাছে পদত্যাগের আবেদন করেছি।’

জালাল উদ্দিন বলেন, তিনি জনগণের সেবা করার জন্যই রাজনীতি করেন। ১৪ বছর ধরে বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিমধ্যে দুবার বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছেন। এখন পৌরবাসীর সেবা করার জন্যই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।

এদিকে জালাল উদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। জানতে চাইলে সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত রোববার জালাল উদ্দিন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আমরা আশা করেছিলাম, তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন। তবে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। তাঁর বিষয়ে জেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে দ্রুতই জানানো হবে।’