সন্দ্বীপের সঙ্গে সীতাকুণ্ডে যাতায়াতের জন্য নৌপথে ছয়টি ঘাট রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ঘাট দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। চলমান তিনটি ঘাটের মধ্যে কুমিরা-গুপ্তছড়া নৌপথে বিআইডব্লিউটিসির একটি যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচল করে। সারা দিনের দুই ট্রিপ যাত্রী পারাপার করে জাহাজটি। বাকি সময়ে অন্য দুটি ঘাটের মতো স্পিডবোট ও কাঠের ট্রলারের ওপর ভরসা করতে হয় যাত্রীদের। যদিও কাঠের ট্রলার ও স্পিডবোটে যাত্রী পারাপার করা অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, এমভি আইভি রহমান জাহাজটি কুমিরা-গুপ্তছড়া নৌপথের জন্য নির্ধারিত যাত্রীবাহী জাহাজ। তিন মাস আগে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাহাজটি ডকইয়ার্ডে নেওয়া হয়। বিভিন্ন কারণে জাহাজটির মেরামত সম্পন্ন হতে দেরি হয়। তখন হাতিয়া-চট্টগ্রাম নৌপথের নির্ধারিত জাহাজ এমভি তাজউদ্দীনকে আপৎকালীন সময়ের জন্য এই পথে দেওয়া হয়। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কারণে ২৪ অক্টোবর জাহাজটি এই নৌপথ থেকে সরিয়ে নিয়ে কর্ণফুলী নদীর সদরঘাটে নিয়ে যাওয়া। এর পর থেকে এ নৌপথে যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচল না করায় দুর্ভোগে পড়েছিলেন যাত্রীরা। এ বিষয়ে গতকাল রোববার প্রথম আলোয় ‘সিত্রাংয়ের পর বন্ধ জাহাজ, অবৈধ নৌযানই ভরসা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

বিআইডব্লিউটিসির কমিশন এজেন্ট ইকরামুল ফরহাদ বলেন, সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া উপকূল থেকে প্রতিদিন জাহাজটি সকাল সাতটায় সীতাকুণ্ডের কুমিরার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। আর কুমিরা উপকূল থেকে সকাল ১০টায় সন্দ্বীপের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। আজ সোমবার পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রী পারাপার করেছে জাহাজটি। গুপ্তছড়া ঘাট থেকে ১৯২ জন যাত্রী ও কুমিরা ঘাট থেকে ২০৯ জন যাত্রী পারাপার করেছে জাহাজটি।