লঞ্চটির নির্মাণপ্রতিষ্ঠান সুন্দরবন নেভিগেশন কোম্পানির মালিকানায় নৌপথে আরও ১৫টি লঞ্চ চলাচল করছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, দেশের সবচেয়ে বেশি যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ও আকারে বড় নতুন এই লঞ্চ।

সুন্দরবন নেভিগেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপক আবুল কালাম বলেন, ৪ তলা লঞ্চটির দৈর্ঘ্য ৩৬০ ফুট ও প্রস্থ ৬০ ফুট। এতে লোয়ার ডেক, আপার ডেক ও আড়াই শতাধিক প্রথম শ্রেণির কক্ষ (কেবিন) ছাড়াও ৬টি ভিআইপি ও ১০ সেমি ভিআইপি কক্ষ আছে। এর যাত্রী ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৩৫০ জন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন লঞ্চ সংযোজনের বিষয়ে সুন্দরবন নেভিগেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, লঞ্চটি অনেক আগেই নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে গত ঈদুল আজহার আগেই চলাচল শুরু হতো। কিন্তু পদ্মা সেতুর উদ্বোধন এবং যাত্রী অনেকটা কমে যাওয়ায় তখন উদ্বোধন করা হয়নি। তিনি বলেন, যাত্রী ধরে রাখতে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এতে। লঞ্চটি টিকে থাকতে পারবে বলে আশা করেন তিনি।