মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন, ‘নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের ভাইবোনদের জন্য একটা বার্তা দিতে চাই, আমরা কাজ করব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য। আমাদের এই একটাই উদ্দেশ্য থাকবে। উনি ক্ষমতায় থাকলে দেশ ভালো থাকবে, দেশ এগিয়ে যাবে, দেশের উন্নয়ন হবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা সামনে এগিয়ে যাচ্ছি। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘পরিশেষে একটা কথা বলতে চাই, আমার মনটা ভালো নেই। যে হামলা হয়েছে, বিগত কয়েক দিন আমরা ওখানে আছি। প্রশাসন প্রশাসনের মতো কাজ করবে। কিন্তু আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভ্যানগার্ড হিসেবে দিঘলিয়ায় আছি, কাজ করছি। দিঘলিয়ার জন্য যা যা করণীয়, তা আমরা করব।’

সম্মেলনে প্রধান অতিথি মাহবুব উল আলম হানিফ বক্তব্য শুরু করতে গেলে বৃষ্টি শুরু হয়। তাই তিনি বক্তব্য না দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে শেষ করেন। সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনে কমিটি গঠনের জন্য বিকেলে নড়াইল সার্কিট হাউসে ছাত্রলীগের কাউন্সিলর ও প্রার্থীদের নিয়ে অতিথিরা বৈঠক করছেন। ২০১৯ সালের ৬ নভেম্বর সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের।

এর আগে মাহবুব উল আলম হানিফ লোহাগড়ার দিঘলিয়া সাহাপাড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময়ে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘটনা শোনার পরই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা চাই, এ ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের খুঁজে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য অপরাধীদের এমন শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, যেন ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমরা সেই রামুর ঘটনা থেকে দেখি, নাসিরনগর ঘটনা থেকেও দেখি, সব ঘটনার একই যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া যায়। এসব ঘটনা পরিকল্পিত।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন