যশোরে বিএনপির নেতা আলমগীর হোসেন হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, তাঁরা এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আলমগীরের জামাতা বাসেত আলী (পরশ) ও স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম (সাগর)।
আজ রোববার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। আলমগীর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় বাসেদ ও আমিনুল এজাহারভুক্ত আসামি। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও চার–পাঁচজনকে।
গতকাল শনিবার রাত আটটার দিকে যশোর শহরের শংকরপুর বটতলা এলাকায় গুলি করে আলমগীর হোসেনকে হত্যা করা হয়।
যশোর নগর বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর। গ্রিন প্রপার্টিজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি। প্রতিষ্ঠানটি জমি বেচাকেনার ব্যবসা পরিচালনা করে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, মূলত আলমগীর হোসেনের সম্পত্তি ও প্রাইভেট কারের প্রতি লোভ ছিল তাঁর জামাতা বাসেত আলীর। আলমগীরের বাড়িতেই থাকেন তাঁর মেয়ে ও নাতনি। বিষয়টি নিয়ে স্ত্রীর ওপরও ক্ষোভ ছিল বাসেতের। সেই লোভ ও ক্ষোভের জেরেই আলমগীরকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এ ছাড়া আমিনুল ইসলামের সঙ্গেও আলমগীরের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত্রুতা চলছিল। তাঁরা দুজনই পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন। তবে তাঁরা কেউ সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি। ভাড়াটে খুনি দিয়ে আলমগীরকে হত্যা করা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য বের হয়ে আসবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।