পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁ থেকে বাসে আসা ওই দম্পতি শনিবার ভোরে গাজীপুর নগরের ভোগড়া বাইপাস এলাকায় নামেন। সেখান থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচলকারী তাকওয়া পরিবহনের একটি মিনিবাসে করে শ্রীপুরের মাওনার দিকে যাত্রা করেন। বাসে আরও কয়েকজন যাত্রী ছিলেন। বাসটি গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় এসে পৌঁছালে তাকওয়া পরিবহনের আরও তিনজন কর্মী বাসটিতে ওঠেন। বাসটিতে আগে দুজন কর্মী ছিলেন। মহাসড়কের হোতাপাড়া পর্যন্ত আসতে আসতে অন্য যাত্রীরা বাস থেকে নেমে যান। হোতাপাড়া অতিক্রমের পর বাস থেকে ওই নারীর স্বামীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর ওই পাঁচজন বাসের ভেতর ওই নারীকে ধর্ষণ করেন।

পুলিশ বলছে, শ্রীপুরের গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় গিয়ে বাসটি ঘুরে আবার গাজীপুর সিটির দিকে রওনা করে। একপর্যায়ে গাজীপুর সদরের রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তায় এসে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ওই নারীকে নামিয়ে দিয়ে চলে যান। এর আগে ওই নারী ও তাঁর স্বামীর কাছ থেকে নগদ টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

নির্যাতনের শিকার নারী গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় থেকে পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী গতকাল সকালে শ্রীপুর থানায় মামলা করেন।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ বলেন, ঘটনাটি জানার পর থেকে পুলিশের একাধিক দল একযোগে অভিযান শুরু করে। দিনের মধ্যে পাঁচজন আসামিকেই গ্রেপ্তার এবং মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। যে মিনিবাসটিতে ঘটনা ঘটেছে, সেই বাসটিও জব্দ করা হয়েছে।

গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. মঞ্জুর মোরশেদ বলেন, ভুক্তভোগী নারী হাসপাতালে ভর্তি। রোববার তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন