ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বেগমগঞ্জ থানার উপপরির্দক (এসআই) আওলাদ হোসেন বলেন, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ গতকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘরের মেঝে থেকে গৃহবধূ মরিয়মের লাশ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তির গলায় একটি কালো দাগ দেখা গেছে। এ ছাড়া শরীরের অন্য কোথাও আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, রাত নয়টার দিকে তাঁরা মরিয়মের কক্ষে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে তাঁর লাশ ঝুলতে দেখা গেছে। পরে তাঁরা দ্রুত লাশটি নামিয়ে ফেলেছেন।

তবে মরিয়মের মা মমতাজ বেগম অভিযোগ করে বলেন, প্রায় পাঁচ বছর আগে তাঁর মেয়ের সঙ্গে মীরওয়ারিশপুর গ্রামের জাহিদ হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে মরিয়মের শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে নানাভাবে মানসিক নির্যাতন করে আসছে। তাঁদের নির্যাতনেই তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে না। এ ঘটনায় মরিয়মের শাশুড়িসহ পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলার প্রস্তুতি চলছে।