ইফতেখার পারভেজ নামের একজন ক্রেতা বলেন, তিনি আজ প্যাকেটজাত আটা কিনতে অন্তত ১০টি দোকান ঘুরে কোথাও পাননি। পরে তিনি খোলা বস্তা থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে ২ কেজি আটা কিনেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বুধবার যে খোলা বস্তা আটার কেজির মূল্য ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, আর প্যাকেটজাত আটার মূল্য ছিল ৬০ থেকে ৬২ টাকা, গতকাল বৃহস্পতিবার দাম বাড়তি ঘোষণার খবর শোনামাত্রই সেটি বাড়িয়ে ৭০ থেকে ৭২ টাকা করে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ৬০ টাকা মূল্য লেখা প্যাকেট কেটে বস্তায় ভরে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি করছেন।

বুধবার যে খোলা বস্তা আটার কেজির মূল্য ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, আর প্যাকেটজাত আটার মূল্য ছিল ৬০ থেকে ৬২ টাকা, বৃহস্পতিবার দাম বাড়তি ঘোষণার খবর শোনামাত্রই সেটি বাড়িয়ে ৭০ থেকে ৭২ টাকা করে ফেলা হয়েছে।

মীর মো. রানা নামের একজন বিক্রেতা বলেন, এখন কেজিপ্রতি আটা ১০ থেকে ১২ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি করছেন তাঁরা। এতে ক্রেতারা অসন্তুষ্ট হলেও তাঁদের করার কিছুই নেই। যেহেতু ডিলারদের কাছ থেকে তাঁদের বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে, সে জন্য তাঁদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জ বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ওসমান গণি বলেন, দাম বাড়তি ঘোষণা শোনামাত্রই বাজারে সংকট তৈরি করে ব্যবসায়ীদের বাড়তি দাম নেওয়ার কৌশল অবলম্বন করা একদমই ঠিক নয়। এ ব্যাপারে প্রশাসনকে ডিলারদের গুদামে অভিযান চালানো উচিত। যাঁরা পূর্বের ক্রয়কৃত প্যাকেটজাত আটা গুদামজাত করে বিক্রি বন্ধ রেখেছেন, সেগুলো জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম প্রথম আলোকে বলেন, ব্যবসায়ীদের এভাবে দাম বাড়িয়ে ক্রেতা ভোগান্তি সৃষ্টি একদমই উচিত নয়। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ম্যাজিস্ট্রেটদের বাজারে পাঠাবেন। তদারকি করে যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হবে।