দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ অক্টোবর রাতে পূর্ব চরশাহী গ্রামের স্প্রিংয়ের পুল এলাকায় একটি মুদিদোকানে চুরি হয়। খবর পেয়ে পরদিন সকালে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। সেখান থেকে চেয়ারম্যান চলে যাওয়ার পর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাবুল আনসারী ওই দোকানের সামনে আসেন। তখন উপস্থিত লোকজনের সামনে প্রকাশ্যে চেয়ারম্যানকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেন বাবুল আনসারী। পরে আনসারী তাঁর চার মিনিটের একটি কল রেকর্ড সন্ত্রাসী সোলেমান বাহিনীর সদস্য সোলায়মানের মুঠোফোনে পাঠান। ওই রেকর্ডিং ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে মাথা ফাটানোসহ হত্যা করে চেয়ারম্যানের লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়। সন্ত্রাসী দিদার বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে আনসারী পরিবারসহ চেয়ারম্যানকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এ ঘটনায় ২১ অক্টোবর রাতে ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর চন্দ্রগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

বাবুল আনসারী বলেন, ‘বহিষ্কারের বিষয়টি আমাকে কেউ জানায়নি। আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি আমি দিইনি। একটি রেকর্ডিং ছড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।’