জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বলেন, ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়ার কর্মসূচিতে যুবদলের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে যোগদান করার সময় পুলিশ তাঁদের স্লোগান দিতে বাধা দেয়। একপর্যায়ে বিনা উসকানিতে পুলিশ শান্তিপূর্ণ ব্যানার কেড়ে নিয়ে মিছিলকারীদের লাঠিপেটা ও গুলি করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। গুলি ও লাঠিপেটায় জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মুশতাক আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জোবায়েরসহ ১৮ জন আহত হয়েছেন।

যুবদলের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে যোগদান করার সময় পুলিশ তাঁদের স্লোগান দিতে বাধা দেয়। এরপর শুরু হয় লাঠিপেটা ও গুলি।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, যুবদলের মিছিল থেকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করায় তিনি নিজে তাঁদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁরা আরও বেপরোয়া হয়ে তাঁর প্রতি চেয়ার ও ইটপাটকেল ছুড়ে মারেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে লাঠিপেটা ও শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় তিনিসহ পুলিশের ১২ সদস্য আহত হয়েছেন।

সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল আমিন হোসাইন বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।