নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) আসনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় সেনবাগ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী, নজরুল ইসলামসহ ১৮ নেতা-কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিকেলে প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর। তিনি বলেন, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট না করায় কেন্দ্র থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে শুনেছেন।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই নেতাদের বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত অন্য নেতারা হলেন বিএনপির নেতা সাখাওয়াত উল্যাহ, মমিন উল্যাহ, মির্জা মো. সোলাইমান, মোয়াজ্জেম হোসেন, গোলাম হোসেন খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক, আবুল কালাম আজাদ, নুরুজ্জামান চৌধুরী, আবু জাহের চৌধুরী, শাহেদুল করিম, দলিলুর রহমান, সেনবাগ পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন, রেজাউল হক, তাজুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন ও শহীদ উল্যাহ।
বহিষ্কার হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সেনবাগ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘মাথাই যেখানে নাই, সেখানে টুপি কিসের? আমার তো পদ–পদবি নেই। আমি বিএনপির একজন সাধারণ সমর্থক। আমরা সমর্থকেরা আমাদের প্রার্থীর কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে নেমেছি। তাঁকে জয়ী করেই ঘরে ফিরব। আমরা সমর্থকেরা সবাই এক। সমর্থকদের বহিষ্কার করলে তো দলই থাকে না। আমরা আমাদের প্রার্থী নিয়ে আছি, থাকব।’