এর আগে ২০২১ সালে ১৫ ডিসেম্বর এসআই সোবহান মোল্লার বিরুদ্ধে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ফারজানা আদালতে ওই মামলা করেন। সোবহান মোল্লা বর্তমানে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশে কর্মরত।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা আগের বিয়ের তথ্য গোপন রেখে ২০২০ সালের ১২ মে ফারজানা বিনতে ফাকেরকে বিয়ে করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম বলেন, গত ৬ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক লুৎফর রহমান আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ১৩ সেপ্টেম্বর এসআই সোবহান মোল্লার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর তিনি উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। গতকাল বুধবার আদালতে তাঁর আত্মসমর্পণ করার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তিনি গতকাল আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। আজ সকালে তিনি উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ওই পুলিশ কর্মকর্তা আগের বিয়ের তথ্য গোপন রেখে ২০২০ সালের ১২ মে ফারজানা বিনতে ফাকেরকে তিন লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে করেন। তখন তিনি সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত ছিলেন। বিয়ের পর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীকে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন ও একাধিকবার মারপিট করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন দ্বিতীয় স্ত্রী।