পুলিশ জানায়, ২০০৮ সালে কুলিয়ারচর উপজেলার এক নারীর সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত সোহেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সোহেল ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ে না করে পালিয়ে যান। এর মধ্যে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন এবং একটি সন্তানের জন্ম দেন। ওই বছরের ১৫ মার্চ ওই নারী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। ১০ বছর পর ২০১৮ সালে আসামির অনুপস্থিতিতে কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত সোহেলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।