স্থানীয় লোকজন ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বার্ধক্যের কারণে মাঝেমধ্যেই মানসিক ভারসাম্যহীন আচরণ করতেন স্বর্ণ বিশ্বাস। আজ দুপুরের আগে বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি পাশের ইউনিয়নে উত্তর বাখরনগরে মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন। দুপুর ১২টার দিকে শ্রীনিধি রেলস্টেশনের বাইরের এলাকায় অসাবধানতাবশত রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। ট্রেনটির ধাক্কায় তিনি রেললাইনের পাথরের ওপর ছিটকে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাঁর লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।

অন্যদিকে সকাল সাড়ে আটটার দিকে শ্রবণপ্রতিবন্ধী কাশেম মিয়াও পাঁচআনি এলাকায় রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা আন্তনগর এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। ট্রেনটির ধাক্কায় রেললাইনে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান কাশেম মিয়া। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। এরই মধ্যে তাঁর লাশ দাফনও করে ফেলেছেন স্বজনেরা।

জানতে চাইলে নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পৃথক দুর্ঘটনায় দুই ট্রেনের ধাক্কায় দুজনের মৃত্যুর খবর শুনেছি। নিহত দুজনের পরিবারের সদস্যরা তাঁদের লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলে জেনেছি। সময়মতো খবর না পাওয়ায় আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের লাশ উদ্ধার করতে পারিনি। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কোনো অভিযোগও নেই।’