পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন আসনেই বিএনপির জয়, গণভোটে ‘না’
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি সংসদীয় আসনেই বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি তিন জেলাতেই গণভোটে ‘না’ পড়েছে বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনভর ভোট গ্রহণ শেষে গভীর রাতে বেসরকারিভাবে এ ফল ঘোষণা করেন জেলার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
ফলাফলে দেখা যায়, বান্দরবান আসনে বিএনপির প্রার্থী সাচিংপ্রু জেরী বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজাউদ্দিন পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের আবুল কালাম আজাদ ৪ হাজার ৭১৮ এবং জাতীয় পার্টির আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ ২ হাজার ৪৩৫ ভোট পেয়েছেন।
বান্দরবানে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২২ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৮১ জন ভোট দিয়েছেন, তবে ৬ হাজার ১১১ ভোট বাতিল হয়েছে। সে হিসেবে বৈধ ভোট ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৭০। ভোটের হার ৫৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। আসনটিতে গণভোটে ‘না’ পড়েছে ৯০ হাজার ১৫৬। অন্যদিকে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৪১৭টি।
রাঙামাটি আসনে বিএনপির দীপেন দেওয়ান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৪ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩১ হাজার ১৪২ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন। ২১৩টি কেন্দ্রে এসব ভোটারের ভোট নেওয়া হয়। এতে গণভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৮২টি। এর মধ্যে ‘না’ ভোট দিয়েছেন দেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৫ জন। ‘হ্যাঁ’ দিয়েছেন ৭১ হাজার ৬৯৯ জন।
খাগড়াছড়ি আসনেও বিএনপির প্রার্থী ওয়াদুদ ভূঁইয়া বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ২১২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধর্মজ্যোতি চাকমা পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৮৭৯ ভোট। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান (ফুটবল) পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৭৯ ভোট। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী চতুর্থ হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. এয়াকুব আলী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৬২১ ভোট। গণভোটে এখানেও ‘না’ এগিয়ে। এতে ‘না’ ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪২ জন। ‘হ্যাঁ’ দিয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৮৬ জন।