ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মচারীর সহায়তায় আখাউড়া স্টেশনে টিকিট কালোবাজারি করে আসছিল। তারা একটি টিকিট ৪০০–৫০০ টাকায় বিক্রি করে। অনেক সময় যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। এতে করে সাধারণ যাত্রীরা সঠিক দামে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন না।

দুপুরে আখাউড়া রেলওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় আখাউড়া স্টেশনে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় টিকিট কাউন্টারের সামনে থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের ৮৫টি আসনের টিকিটসহ চার কালোবাজারিকে আটক করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন অঙ্কের জরিমানা ও অনাদায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা পরিশোধ করায় আটক সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ সময় আদালত আখাউড়া স্টেশনে টিকিট কালোবাজারির ঘটনায় টিকিট বুকিং সহকারীদের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে সঠিকভাবে টিকিট বিক্রি ও বিক্রির তথ্য সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেন আদালত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলীম হোসেন শিকদার।

জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রশান্ত চক্রবর্তী বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন–২০০৯–এর ৪০ ধারায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জরিমানা করা হয়েছে। আমরা চাই আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে যেন কোনো টিকিট কালোবাজারি না হয়।’