পুলিশ প্রতিবেদন ও মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাইদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। চাচাতো ভাইদের ফাঁসাতে সাদ্দাম হোসেন আপন বড় ভাই জহুরুল প্রামাণিকের বাক্‌প্রতিবন্ধী মেয়ে চায়নাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। তাঁর এ কাজে সহযোগিতা করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আকবর আলী। ২০১৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে বেড়াতে যায় চায়না। রাতের খাবার শেষে চায়না ঘুমিয়ে পড়লে সাদ্দাম তাকে তুলে বাড়ির বাইরে নিয়ে গলা টিপে হত্যা করেন।

পরে সাদ্দাম স্থানীয় বেড়া খারুয়া চরে নিয়ে চাকু দিয়ে চায়নার লাশের গলা কেটে ফেলেন। এরপর সেখানেই মরদেহ ফেলে রেখে চলে যান সাদ্দাম। পরদিন ২৬ ডিসেম্বর সকালে বেড়া খারুয়া চর থেকে চায়নার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে আসে হত্যার মূল রহস্য। পরে পুলিশ সাদ্দাম হোসেন ও আকবর আলীকে গ্রেপ্তার করে।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আবদুর রহমান বলেন, আসামিরা হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর পর মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন