ভুয়া এই চিকিৎসকের নাম মো. শামসুদ্দিন। তিনি নিজেকে ‘ডা. শামসুদ্দিন’ নামে পরিচয় দিতেন। নিজ গ্রামেই অবৈধ চিকিৎসাকেন্দ্র খুলেছিলেন তিনি।

পেশায় চিকিৎসক না হয়েও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার নামে প্রতারণার অপরাধে শামসুদ্দিনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আশুগঞ্জ উপজেলার বগইর গ্রামের শামসুদ্দিন পেশায় চিকিৎসক না হয়েও নিজের নামের আগে ‘ডা.’ লিখে চিকিৎসাসেবা শুরু করেন। যে চেয়ারে বসে চিকিৎসা দিতেন, সেখানেও খোদাই করে ‘ডা. শামসুদ্দিন’ লিখেছেন। হোমিওপ্যাথি, অ্যালোপ্যাথিসহ সব ধরনের চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি দিতেন তিনি। বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ বিকেলে বগইরে শামসুদ্দিনের কথিত চেম্বারে অভিযান চালান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান। এ সময় ওই চেম্বারে মেয়াদোত্তীর্ণ বিপুল পরিমাণ ওষুধ মজুত পাওয়া যায়। পেশায় চিকিৎসক না হয়েও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার নামে প্রতারণার অপরাধে শামসুদ্দিনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মেহেদী হাসান জানান, মানুষের সঙ্গে প্রতারণার সবই করেছেন শামসুদ্দিন। তিনি আর প্রতারণা করবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়েছেন।