৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে উত্তর ইসলামপুর এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে পিটিআই পরীক্ষণ বিদ্যালয় সড়ক হয়ে জেলা কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগের ক্যাডাররা তাঁদের মিছিলে হামলা করেন। এতে তাঁদের কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়। এরপর তারা (ছাত্রলীগ) বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে তালা দেয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘দেশের এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের মারবে কিন্তু আমরা শব্দ করতে পারব না।’

অভিযোগের বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল মৃধা বলেন, ‘আমরা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে কোনো তালা দিইনি। বিক্ষোভ মিছিলেও হামলা করিনি। বিএনপির লোকজন নিজেরা এসব ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের দোষারোপ করছে। জেলায় তারা অনেক কর্মসূচি করছে। আমরা তো সেখানে তাদের বাধা দিইনি।’

মিছিলে অংশ নেওয়া বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী বলেন, মানুষের অধিকার আদায় করতে তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করছিলেন। পুলিশ নিয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁদের ধাওয়া দিলেন। এটি কোনো সভ্য দেশের কাজ হতে পারে না। তাঁরা এর তীব্র নিন্দা জানান।

মুন্সিগঞ্জ শহর বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম ইরাদত হোসেন বলেন, রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো উঠেপড়ে লেগেছে। অন্যথায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে তারা কেন বাধা দেবে? কেন জেলার এত বড় একটি কার্যালয়ে গিয়ে তারা তালা দেবে। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের এমন নগ্ন হস্তক্ষেপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন